হিন্দুধর্মে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের জীবনে আধ্যাত্মিক ও সামাজিক বিকাশের লক্ষ্যে ১৬টি প্রধান বৈদিক সংস্কার পালন করা হয়। এই আচারগুলো গর্ভধারণের আগে থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সম্পন্ন হয়।
🌱
গর্ভাধান: গর্ভধারণের উদ্দেশ্যে প্রথম আচার।
👶
পুংসবন: গর্ভাবস্থার ৩য় বা ৪র্থ মাসে সন্তানের কল্যাণ কামনায় করা হয়।
🤰
সীমন্তোন্নয়ন: গর্ভবতী মায়ের মানসিক শান্তি ও সন্তানের উন্নতির জন্য।
🍼
জাতকর্ম: জন্মের পর শিশুর প্রথম সংস্কার।
📛
নামকরণ: শিশুর নামকরণ অনুষ্ঠান।
🌞
নিষ্ক্রমণ: শিশুকে প্রথমবার বাইরে বা সূর্যের আলোতে আনা।
🍚
অন্নপ্রাশন: প্রথমবার কঠিন খাবার খাওয়ানো।
✂️
চূড়াকরণ: প্রথমবার মাথা মুণ্ডন বা চুল কাটা।
👂
কর্ণভেদ: শিশুর কান ছিদ্র করার আচার।
📚
বিদ্যারম্ভ: প্রথমবার শিক্ষা শুরু।
🧵
উপনয়ন: পৈতা ধারণ ও শিক্ষার সূচনা।
📖
বেদারম্ভ: বেদ অধ্যয়ন শুরু।
🧔
কেশান্ত: প্রথম দাড়ি-গোঁফ কাটা।
🎓
সমাবর্তন: শিক্ষা শেষে গৃহে প্রত্যাবর্তন।
💍
বিবাহ: গার্হস্থ্য জীবনে প্রবেশ।
🕯️
অন্ত্যেষ্টি: মৃত্যুর পর শেষকৃত্য।
দ্রষ্টব্য: বর্তমানে প্রধানত জাতকর্ম, উপনয়ন, বিবাহ ও অন্ত্যেষ্টি—এই চারটি সংস্কার বেশি প্রচলিত।